1. news@banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

ঝালকাঠি পৌর মেয়রের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ

ঝালকাঠি প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠি পৌরসভা

ঝালকাঠি পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদারের স্বাক্ষর জাল করে,প্রভিডেন্ট ফান্ড হতে ১৮ লাখ ২১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার ২২ কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

অদ্য ২৬ নভেম্বর এক জরুরী সভায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ।

ঝালকাঠি পৌরসভার মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের( প্রভডেন্ট ফান্ড)ভবিষ্যত তহবিল যা কর্মচারীরা চাকুরি থেকে অবসর নেয়ার সময় পেয়ে থাকেন। তবে কর্মচারীরা এ তহবিল থেকে অবসরের আগেও লোন নিতে পারে। ব্যাংকের হিসাব থেকে টাকা উঠাতে চেকে মেয়র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন। কিন্তু চেকে আমার স্বাক্ষর জাল করে ট্রাক হেলপার মিলন হাওলাদার ও মর্তুজ আলী মোট ৫১ টি চেকে ৩ লাখ ৩০ হাজার ১শত টাকা। স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আঃ সালাম সিকদার ১০ চেকে ১লাখ ৬৪ হাজার টাকা। টিকাদানকারী আমিনুল ইসলাম, সীমা রানী দাস, সুলতানা পারভীন ও রাশিদা খানম ১৩ চেকে মোট ২ লাখ ৫১ হাজার ১শত টাকা। কসাইখানা পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন ৫ টি চেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫শত টাকা। রোলার চালক ফিরোজ খান, ইয়াসিন আরাফাত ৭ চেকে মোট ৮৭ হাজার ৫শত টাকা। ফোরকান আমিন ৪ চেকে ৩৬ হাজার টাকা।

অফিস সহায়ক মোরশেদা খানম, চান ও জাহাঙ্গির আলম ৭ চেকে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। স্বাস্থ্য সহকারী রিয়াজুল ইসলাম ২ চেকে ৩৬ হাজার। ট্রাক চালক শাকিব খান ২ চেকে ১৬ হাজার টাকা। সাবেক মেয়রের স্ত্রী ফটোকপি অপারেটর সামসুন্নাহার মারিয়া ১ চেকে ২৮ হাজার টাকা। কার্য্য সহকারী নাজমুল হাসান ১ চেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিদ্যুৎ লাইনম্যান সোহেল রানা ১ চেকে ১৮ হাজার টাকা। পাম্প চালক ইকবাল হোসেন ও সোহেল খান (সাবেক মেয়রের শ্যালক) ১৪ চেকে ৩ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং বিল ক্লার্ক সাহাবউদ্দিন ৩ চেকে ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা উঠিয়ে নিয়েছে। মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে সর্বমোট উঠানো টাকার পরিমান ১৮ লাখ ২১ হাজার ২শত টাকা।

মেয়র আরো জানান সম্প্রতি অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম জাল স্বাক্ষর দিয়ে ব্যাংকে টাকা উঠাতে গেলে এই জালিয়াতির ঘটনা ধরা পরে। এর পরেই মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ১৭ এপ্রিল ২০১৬ থেকে এ পর্যন্ত ব্যাংক হিসাবের হিসাব বিবরণী রূপালী ব্যাংক থেকে উঠালে বিবরণীতে মোট ১০৪ টি চেকে মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে উল্লেখিত টাকা উঠানোর ঘটনা ধরা পরে।

পৌর সচিব শাহীন সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে প্যানেল মেয়র মাহবুবুজ্জামানকে আহবায়ক করে গঠন করা তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করে যে,প্রভিডেন্ট ফান্ড হতে মেয়রের স্বাক্ষর জাল করার ঘটনা ঘটেছে।ব্যাংক বিবরণীতে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সালাম সিকদার বলেন, এসব চেকে মেয়র স্বাক্ষর করলেও পৌরসভার নথীতে তা উল্লেখ না থাকায় তিনি আমাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন।

হেলপার মিলন ও মর্তুজ আলী জানান, আমরা কোন জালিয়াতি করিনি,আমরা আমাদের চেকে মেয়রের স্বাক্ষর এনেছি। বাকিরা নিজেদের বাঁচাতে আমাদের নামে মিথ্যা কথা বলছে। ২৬ নভেম্বর পৌরসভার জরুরী সভায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর, সাময়িক বরখাস্ত এবং কেন তাদের স্থায়ী বরখাস্ত করা হবেনা সাত দিনের মধ্যে জবাব চেয়ে সর্বসম্মতিক্রমে নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)