1. news@banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

নতুন জাতের ধানচাষে শতভাগ সফলতা।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৮ বার পড়া হয়েছে
নতুন জাতের ধান চাষ
কৃষক আমিনুল ইসলাম

লবনাক্ত জমিতে শতাংশ প্রতি ২ মন ধান উৎপাদন দেখে সেই কৃষক আমিনুল ইসলাম সাজি বাড়ি কৃষি কর্মকর্তা ! কৃষকদের মাঝে আনন্দর বন্যা।প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে যখন সবাই দিগবিদিক তখন আশার আলো দেখাচ্ছে পটুয়াখালী অঞ্চলের কৃষক আমিনুল ইসলাম সাজি।তার পরিক্ষামূলক রোপনকৃত ধানেই বাম্পার ফলন।কলাপাড়া উপজেলার মিশ্রীপাড়া গ্রামে আঃহালিম সাজির পুত্র ৪৭ শতাংশ জমিতে ২ কেজি ধানের বীচ রোপন করে শতাংশ প্রতি ধান উৎপাদন হয়েছে দের মন থেকে ২ মন।ধানের প্রতি ছড়িতে ৭শত থেকে ৮শত ধান পাওয়া গেছে।যাহা সাধারনত ধানের প্রতি ছড়িতে ৭০টি থেকে ১শত টি ধান থাকে।এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা দেখতে আসে।এদিকে জানাযায়,পার্শ্ববর্তী এলাকার মৃত্যূ মোসলেম আলীর পুত্র ওমর ফারুক পেশায় একজন শিক্ষক।তিনি ঢাকায় শিক্ষকতা করার পাশা পাশি পটুয়াখালী অঞ্চলের কৃষক দের নিয়ে সব সময় তার ভাবনা। সেই ভাবনা থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগ যুরে বাগেরহাট জেলা থেকে ২ কেজি ধান সংগ্রহ করে কৃষক আমিনুল ইসলাম সাজি কাছে পাঠিয়েদেন।সেই ধান এখন অত্রঅঞ্চলের কৃষক দের মাঝে আশার আলো হিসাবে দেখা দিয়েছে।ওই এলাকার কৃষকরা বলছেন,গত দু’বছর ধরে ধান বিক্রি করে তারা উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না। এদের মধ্যে অনেকেই শেষবারের মতো এবার বোরো ধানের আবাদ করেছেন।এবারও ধানের ন্যায্যমূল্য না পেলে আর ধান না লাগানোর পরিকল্পনাও করছেন অনেকে।অন্যদিকে জানাযায়,পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবন সহিষ্ণু নতুন জাতের ধানচাষে পাওয়া গেছে শতভাগ সফলতা।কৃষকদের মাঝে এই ধান চাষের আগ্রহ বারছে।নতুন উদ্ভাবিত এই ধান বোরো,আমন দুই মৌসুমে উৎপাদন উপযোগী।বানিজ্যিকভাবে এর উৎপাদনের জন্য কৃষকদের সম্পৃক্ত করে উপকূলের লবনাক্ত জমিতে এই ধান চাষ করলে কৃষক অর্থিকভাবে সাবলম্বী হবে।এঅঞ্চলে কৃষকরা রয়েছে নানা সমস্যায় এমনটা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কৃষকরা।এতে যেমন পটুয়াখালী খাদ্য নিরাপত্তার সুরক্ষা সম্ভব।তেমনি সরকারি ব্যবস্থাপনায় ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষক ওমর ফারুক জানায়,গত দু’বছর ধরে পটুয়াখালীর কৃষকরা ধান বিক্রি করে তারা উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না।এদের আমি বিভিন্ন স্থান ঘুরে আমার গ্রামের কৃষক দের জন্য ফাতেমা ধান সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিলে পরিক্ষামূলক রোপনকৃত ধানেই বাম্পার ফলনের দেখা পায় কৃষক।আমি এতে অনেক আনন্দিত।উপকূলের সকল কৃষকরা লবনাক্ত জমিতে এই ধান চাষ করলে অর্থিকভাবে সাবলম্বী হবে।

কৃষক আমিনুল ইসলাম সাজি জানায়,ঘূর্ণিঝড় আম্ফানেও আমার ধানের কোন ক্ষতি হয়নি।আমার এই ধান প্রতি ছড়িতে ৯শত থেকে ১ হাজার ধান রয়েছে।আমি ৪৭ শতাংশ জমিতে এই ধান চাষ করেছি।যাহা অন্য ধান এর তুলনায় চারগুন ফলন হয়েছে কৃষি অফিস থেকে সার-ওষুধ কিছু পাইনি।কৃষকদের কাছ থেকে এই ধানের বাম্পার ফলনের খবর শুনে কলাপাড়া উপজেলার উপ-সহ্ কারী কৃষি কর্মকর্তা বসির উদ্দিন আসে।বোরো ধানের তুলনায় চারগুন ফলন হয়েছে।যদি কৃষি অফিস থেকে সহযোগিতা পেতাম আরো বেশি ফলন পেতাম।যদি কোন কৃষক আমার এই ধান থেকে বীচ-ধান সংগ্রহ করতে চায় তাহলে আমার এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলবেন (০১৭৬৬৮৯৬৯১১)।এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন,তবে সামনে শিলাবৃষ্টি বা আবার ঝড় হলে ফসলের ক্ষতি হতে পারে।

কলাপাড়া উপজেলার উপ-সহ্ কারী কৃষি কর্মকর্তা বসির উদ্দিন বলেন,কৃষক আমিনুল ইসলাম সাজির রোপন কৃত ধান দেখে এসেছি।পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবন সহিষ্ণু নতুন জাতের ধানচাষে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আমাদের তরফ থেকে কৃষক আমিনুল ইসলাম সাজি কে সকল প্রকার সহযোগিতা করব।এবংএই ধান যদি কৃষকরা চাষ করতে চায় আমরা তাদেরকে ও সকল প্রকার সহযোগিতা করব।

কলাপাড়া উপজেলার সিনিয়র উপ-সহ্ কারী কৃষি কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন,মিশ্রীপাড়া গ্রামে আমিনুল ইসলাম সাজি নামে এক কৃষক নতুন উদ্ভাবিত এই ধান চাষ করেছে।শতাংশ প্রতি ২ মন ধান উৎপাদন হয়েছে।বোরো,আমন দুই মৌসুমে উৎপাদন উপযোগী এই ধান।বানিজ্যিকভাবে এর উৎপাদনের জন্য উপকূলের কৃষকদের সম্পৃক্ত করতে পারলে কৃষকরা অর্থিকভাবে সাবলম্বী হবে কৃষক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি