1. news@banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১১ অপরাহ্ন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় কোথাও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
স্বাস্থ্যবিধি
চরফ্যাশন সাপ্তাহিক পশুর হাট

চরফ্যাশন উপজেলার কোথাও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। গ্রাম, হাটবাজার থেকে শুরু করে উপজেলা সদরে শারীরিক দূরত্ব মানার বালাই নেই। মাস্কট ও গ্লাভস পরার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মানুষই উদাসীন। অসম্ভব ছোঁয়াচে করোনার মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলছে সবকিছুই। ফলে বাড়ছে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা, আক্রান্ত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এদিকে নতুন করে উপজেলা থানার ২ পুলিশ কর্মকতা ও ৪ ডাক্তার আক্রান্ত হওয়ায় চরফ্যাশনে আরো আতংক দেখা দিয়েছে। পুরো চরফ্যাশন উপজেলা সদরের কয়েকটি ওয়ার্ড কে রেড জোনের আওতায় আনা হয়েছে। আর উপজেলার ইউনিয়নের কিছু ওয়ার্ডে সবুজ জোন হিসাবে চিহৃিত করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বিবেচনা করে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন সবুজ জোনে ভাগ করা হয়। চরফ্যাশনে এখন সব মিলে কভিড১৯ এ আক্রান্তর সংখ্যা ২৫ জন।

 

উপজেলা প্রশাসন থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সদস্যরা কাজ করেও সরানো যাচ্ছে না ঘর থেকে বেরিয়ে আসা নিয়ন্ত্রণহীন মানুষকে। উপজেলা প্রশাসন বলছে, মানুষকে সচেতন করতেই অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানের মূল টার্গেট হচ্ছে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং ঘরে রাখা। কিন্তু কিছু মানুষ অহেতুক ঘর থেকে বের হচ্ছে। ফলে সকাল থেকে মধ্যরাত অবধি মানুষের ভিড় লেগেই আছে পথেঘাটে।নৌ-পথ চলা চলের কারনে ঢাকা, বরিশাল,সহ দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে লোক-জন গ্রামে এসে হাট বাজারে গুরা গুরি করেন, তাদেরতো নেই কোনো সচেতনতা অথচো তাদের ভির দেখে সচেতন মহল মনে করেন ঈদের আনন্দের উৎসব।

 

শুক্র ও শনিবার বার ছুটির দিনেও দক্ষিন আইচা বাজার, শশীভূষন বাজার, দুলারহাট, মিনাবাজার,আহাম্মদপুর হাজিরহাট,মুন্সিরহাট, বাংলাবাজার,ঘোষেরহাট ও ঘোষেরহাট লঞ্চঘাট এবং চরফ্যাশনের পূর্বে চেয়ারম্যান বাজার, কেরামতগন্জ বাজার, আন্জুরহাট ও বাবুরহাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মানুষের উপচেপড়া ভীড় । এদিকে উপজেলা প্রসাশন থেকে বিকেল ৪ টার মধ্যে দ্বীপের সব বাজারের দোকান পাট বন্ধ করার কথা বললে ও চরফ্যাশন সদর রোডের দোকান গুলি তা অনেক টা মানলে ও বাকি পুরো চরফ্যাশন উপজেলার কে শুনে কার কথা। উপজেলার অন্যান্য বাজারে সন্ধার পরে গেলে বুঝা যায়না দেশে কোন ভাইরাস আছে, যে যার যার মতো করে সব দোকান খুলে ব্যাবসা চালিয়া যাচ্ছে। বাজার ছাড়া বিভিন্ন তেমাথা চৌমাথা মানুষের ভীড় আর ভীড়। বিশেষ করে চায়ের দোকানে মধ্যবয়সীদের ভীড় বেশি। তরুণরাও পিছিয়ে নেই।

প্রশাসনের লোক জন আসলে দৌড়াই বা পেন্টের পকেট থেকে নিয়ে মাকর্স পরে, আবার যখন নৌবাহিনীর সদস্যরা চলে যায় তখন আবার সব ভুলে যায় শুরু হয় অনিয়ম।

স্বাস্থ্যবিধি

চরফ্যাশন সাপ্তাহিক পশুর হাট

 

এদিকে চরফ্যাশনের বিভিন্ন নৌ -ঘাট গুলির অবস্হা আরো খারাপ সামাজিক দুরত্ব কি সেটা তো মানে না বরং সামাজিক দুরত্বর কথা বললে উল্টা আরো তর্ক করে। এখন ঘাটে প্রসাশনের ও কোন নজরদারি নেই, সব হ জ ব র ল অবস্হা।

মাছ বাজারের তো অবস্হা আরো খারাপ মানুষ দেশে কি অবস্হা চলে তা মনে হয় বুঝেই না। ঘা ঘেষে ঘেষে সব আগের মত অবস্হা।

সুশিল সমাজ ও সচেতন ব্যক্তি বর্গের দাবি প্রসাশন কে আরো কঠোর থেকে কঠোর হওয়া এবং অপ্রোয়েজনে মানুষ যাতে ঘর থেকে বের হতে না পারে সে ব্যবস্থা গ্রহন করা, এবং বের হলে যাতে জরিমানা করে শাস্তি দেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি