1. news@banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

রূপসায় মুজিববর্ষে ৭২ আশ্রয়হীন পরিবার পাচ্ছে জায়গা সহ ঘর

রূপসা প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে
রূপসা নিউজ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত কোন মানুষ আশ্রয়হীন থাকবেনা। তার আলোকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় রূপসা উপজেলার ৬টি স্পটে এক কোটি ২৩ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭২ টি ঘর নির্মাণ হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় গত ৮ ডিসেম্বর আশ্রয়হীনদের এসব ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজের ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

বেশির ভাগ আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে আঠারো বাকী নদীর পড়ের মনোরম পরিবেশে। ঘরগুলোর মধ্যে নৈহাটী ইউনিয়নের নেহালপুরে ২৪টি, ইলাইপুর একটি, টিএসবি ইউনিয়নের কাজদিয়া ভাংগারঘাটে ১৪টি, ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালীতে ১১ টি, গোয়াড়ায় ৭টি, শ্রীফলতলার আলাইপুর ১১টি ও আইচগাতীর বাধালে ৪টি।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও জেলা প্রশাশক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সার্বিক তত্ত্ববধানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পিআইও এসব কাজ বাস্তবায়ন করছেন।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন– মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে বাংলাদেশে কোন মানুষ গৃহহীন থাকবেনা। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুজিববর্ষে শতভাগ গৃহহীন ও আশ্রয়হীন মানুষদের জমি ও ঘর প্রদানের প্রত্যয় নিয়ে আমরা রূপ উপজেলায় প্রথম ধাপে ৭২টি ঘরের বরাদ্ধ পেয়েছি। প্রতিটি ঘর নির্মাণ বাবদ এক লাখ ৭১ হাজার টাকা হিসেবে এক কোটি ২৩ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে।

তিনি বলেন- এই ঘর বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি রয়েছে, যার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সদস্য সচিব উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা। আমরা এ উপজেলায় উপকারভোগী ৫০৩ তিন জনের নাম পাঠিয়েছিলাম। তাদের মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই ও সরজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। এমনকি আমার যে স্পটে ঘরগুলো করছি উপকারভোগীরা সেখানে যেতে চাই কিনা সে কারণে তারেকে সেখানে পরিদর্শন করিয়েছি।

সেই আলোকে আমরা ৭২জনকে বাছাই করেছি। সেই ৭২ জনকে সাথে নিয়ে আমাদের উপজেলা কমিটির সকল সদস্যেরে সরব উপস্থিতিতে আমাদের উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মাননীয় এমপি মহোদয়স সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং আমাদের বিজ্ঞ জেরা প্রশাসক হেলাল হোসেন স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক এখানকার সকল ধরনের জনগনের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এবং সাংবাদিক মহলের প্রত্যক্ষ তত্ত¦বধানে আমরা কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি।

তিনি বলেন ঘরগুলো বাস্তবায়ন করতে আমরা কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হই। বিশেষ করে জায়গা দখল নিয়ে আমাদের বেশ কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে। সরকারি অধিকাংশ জমি ভূমি দস্যুদের দখলে চলে গিয়েছিলো। তাবে আমাদের থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগীতায় সেই জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আরিফ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার গৃহহীন থাকবেনা কেউ। তারই আলোকে রূপসা উপজেলায় ৭২ জন গৃহহীন ও ভূমিহীনের তালিকা প্রস্তুত করেছি এবং তাইর আলোকে রূপসা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ঘরগুলো বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

যেহেতু ঘরগুলো পিআইচি দ্বারা বাস্তবায়ন হবে তারই আলোকে আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের তদারকিতে আমরা নিজেরাই যাবতীয় মালামাল সামগ্রী ক্রয় করে নিজের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঘরগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে।

ইতোমধ্যে কোন কোন স্পটে ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে সবগুলো ঘরের কাজ শেষ উপকার ভোগীদের হাতে চাবী হস্তান্তর করতে সক্ষম হবো।

ইউপি মেম্বর রবিউল ইসলাম ফকির বলেন, আমার ওয়ার্ডের আঠারোবাকী নদীর তীরের নেহালপুরে ২৪টি ঘরের কাজ খুব দ্রুততার সাথে চলছে। আমি দিনে তিন/চার বার এখানে এসে কাজ দেখাশোনা করি।

এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পিআইও স্যার প্রতিনিয়ত এখানে আসছেন এবং কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। কাজের গুনগত মানও খুব ভালো হচ্ছে। এই ঘরগুলো নির্মাণ হলে আমাদের নৈহাটী ইউনিয়নের ২৪টি পরিবার এখানে মাথাগোজার ঠাঁই পাবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহহারা মানুষের আশ্রয়রে জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা সত্যিই মহতি উদ্যোগ। যা ভাষায় প্রকাশ করা যায়না। এছাড়া আমাদের এমপি সাহেব আব্দুস সালাম মূর্শেদী এসব ঘরের কাজ কতদূর হলো, কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা। এ বিষয়ে সার্বক্ষনিক খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)