1. news@banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন

লালপুরে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে দোকান করে দিল প্রাকীর্তি ফাউন্ডেশন

নাটোর প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
প্রাকীর্তি ফাউন্ডেশন

নাটোরের লালপুরে একজন প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে কর্মসংস্থানের জন্যে দোকান করে দিল বে- সরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রাকীর্তি ফাউন্ডেশন।

 

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের কাশেম মন্ডলের পুত্র জার্মান আলী কৃষি শ্রমিক হিসেবে উত্তরাঞ্চলের হিলিতে ১৯৯৯ সালে ধান কাটতে ট্রেনে যাওযার সময় পড়ে গিয়ে দুটি পায়ের হাঁটুর নীচের আংশ কেটে যায়। অসহায় হয়ে পড়ে জার্মান, বাধ্য হয়ে জীবন বাঁচাতে ভিক্ষা করতে রাস্তায় নামেন।

 

সম্প্রতি সাপ্তাহিক লালপুর বার্তা সহ বিভিন্ন সংবাদপত্রে জার্মানকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বে সরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রাকীর্তি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের নজরে আসে। ফাউন্ডেশন কর্মসংস্থানের উদ্যোগে গ্রহন করে দোকান ঘর সহ মুদি মালামাল দেয়ার ব্যবস্থা নেয়।

 

আজ বৃহস্পতিবার ( ৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে নওপাড়া বাজারে দোকান ঘরে মালামাল প্রদান করে আনুষ্ঠানিক ভাবে ব্যবসার উদ্বোধন করা হয়।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, প্রাকীর্তি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাসিবুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক জালাল উদ্দিন বাবু, পরিচালক প্রভাষক আমজাদ হোসেন, প্রভাষক আমিনুল হক টমি, প্রভাষক আশরাফুল ইসলাম লুলু, প্রভাষক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রভাষক সুলতানুজ্জামান টিপু, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নাটোর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক সালাহ উদ্দিন, মোহরকয়া অটিষ্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিমানুর রহমান, লালপুর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল মোত্তালেব রায়হান, সহ সভাপতি মাষ্টার আব্দুর রশিদ, দৈনিক প্রাপ্তী-প্রসঙ্গের প্রধান সম্পাদক এ কে আজাদ সেন্টু, সাংবাদিক ফজলুর রহমান, মাহবুর রহমান, নওপাড়া হাট কমিটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান পলাশ প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)